প্রথম পাতা » নার্সারী » মিষ্টি জাতের কালো আঙ্গুরের কলম চারা ।



পন্যের নাম: মিষ্টি জাতের কালো আঙ্গুরের কলম চারা ।

পন্য ক্রমিক নং: ২১

বিস্তারিত: আমাদের কাছে মিষ্টি জাতের কালো আঙ্গুরের কলম চারা পাওয়া যায় । কলম চারার সাইজ ২ ফিট, পলিপ্যাকে আছে ।ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারী ও অন্য জেলায় কুরিয়ারে চারা পাঠানো হয় ( চার্য প্রোযয্য ) ।

স্বল্প পরিসরে আঙ্গুর চাষের জন্য বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হয় না। বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় যে স্থানে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত রৌদ্র থাকে অথচ পানি দাঁড়ায় না এমন জায়গা নির্বাচন করে আঙ্গুর চাষ করা যায়। যদি বাড়ির আশেপাশে বা আঙ্গিনায় জায়গা না থাকে বিশেষ করে শহর অঞ্চলে তারা বাড়ির ছাদে টবে আঙ্গুর চাষ করতে পারেন।
আঙ্গুরের পুষ্টিগুণঃ
===========
আমাদের দেশে রোগীর পথ্য হিসেবে আঙ্গুর ব্যাপক ব্যবহৃত হয়৷ এতে প্রোটিন, শর্করা, চর্বি, ক্যালসিয়াম, ফরফরাস, লৌহ, খনিজ, পটাশিয়াম, থিয়ামিন, রিবোফ্লাবিন, ভিটামিন-এ, বি, সি উপাদান রয়েছে৷ তাছাড়া প্রতি কেজি আঙ্গুর থেকে প্রায় ৪৫০ ক্যালরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়৷
আঙ্গুর চাষে মাটি নির্বাচনঃ
================
আঙ্গুর চাষের জন্য মাটি হতে হবে, দো-আঁশযুক্ত লালমাটি, জৈবিক সার সমৃদ্ধ কাঁকর জাতীয় মাটি এবং পাহাড়ের পাললিক মাটি।
আঙ্গুর চাষে জমি নির্বাচনঃ
================
আঙ্গুর চাষের জমি হতে হবে উঁচু যেখানে বৃষ্টি বা বন্যার পানি জমে থাকে না এবং প্রচুর সূর্যের আলো পড়বে এমন জায়গা। এবং পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
আঙ্গুর চাষে জমি তৈরিঃ
===============
জমি তৈরি করতে হবে ভালভাবে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে। এসময় জমির মাটি ঝুরঝুরে করে দিতে হবে। তারপর ৭০ × ৭০ × ৭০ সে. মি. মাপের গর্ত করে তাতে ৪০ কেজি গোবর, ৪০০ গ্রাম পটাশ, ৫০০ গ্রাম ফসফেট এবং ১০০ গ্রাম ইউরিয়া গর্তের মাটির সাথে মিশিয়ে ১০/১৫ দিন রেখ দিতে হবে যেন সারগুলো ভালোভাবে মাটির সাথে মিশে যায়। তারপর সংগ্রহীত চারা গোড়ার মাটির বলসহ গর্তে রোপন করে একটি কাঠি গেড়ে সোজা হয়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে হবে এবং হাা পানি সেচ দিতে হবে।
আঙ্গুর চাষে সার প্রয়োগঃ
===============
রোপনের ১ মাসের মধ্যে গাছ যদি সতেজ না হয় তাহলে গোড়ার মাটি আলগা করে তাতে ৫ গ্রাম ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। ১-৩ বছরের প্রতিটি গাছে বছরে ১০ কেজি গোবর, ৪০০ গ্রাম পটাশ, ৫০০ গ্রাম ফসফেট এবং ১০০ গ্রাম ইউরিয়া সার দেওয়া উত্তম। পটাশ সার ব্যবহারে আঙ্গুর মিষ্টি হয় এবং রোগ বালাইয়ের উপদ্রব কম হয়। গাছ বেড়ে ওঠার জন্য গাছের গোড়ায় শক্ত কাঠি দিতে হবে এবং মাচার ব্যবস্থা করতে হবে- সেখানে আঙ্গুরের শাখা-প্রশাখা ছড়াবে।
গাছের কান্ড ছাঁটাইঃ
============
প্রথম ছাঁটাইঃ
-------------
মাচায় কান্ড ওঠার ৩৫/৪৫ সে.মি. পর প্রধান কান্ডের শীর্ষদেশ কেটে দিতে হবে যাতে ঐ কান্ডের দুই দিক থেকে দুটি করে চারটি শাখা গজায়।
দ্বিতীয় ছাঁটাইঃ
----------------
গজানো চারটি শাখা বড় হয়ে ১৫-২০ দিনের মাথায় ৪৫/৬০ সে.মি. লম্বা হবে তখন ৪টি শীর্ষদেশ কেটে দিতে হবে যেখান থেকে আরও পূর্বের ন্যায় দুটি করে ১৬টি প্রশাখা গজাবে।
তৃতীয় ছাঁটাইঃ
---------------
এই ১৬টি প্রশাখা ১৫/২০ দিনের মাথায় ৪৫/৬০ সে.মি. লম্বা হবে তখন আবার এদের শীর্ষদেশ কেটে দিতে হবে যাতে প্রতিটি প্রশাখাঁরে দুদিকে দুটি করে ৪টি নতুন শাখা এবং এমনিভাবে ১৬টি শাখা থেকে সর্বমোট ৬৪টি শাখা গজাবে। অবশ্য সর্বক্ষেত্রেই যে ৬৪টি শাখা গজাবে এমন কোনো কথা নেই। এই শাখার মধ্যেই প্রথমে ফুল এবং পরে এই ফুলমটর দানার মত আকার ধারণ করে আঙ্গুর ফলে রূপান্তরিত হয় ।

দর: ৮০০

ষ্টক: ২০০টি

পন্য সংযুক্তির তারিখ: ১৫ অক্টোবর ২০১৯

পণ্যের ধরণ: নার্সারী

পন্য প্রাপ্তির স্থান: গাজীপুর




আরো কিছু পন্য